মিজানুর রহমান,লালমনিরহাট: লালমনিরহাট ১৫ বিজিবি ব্যাটালিয়ন সদস্যদের মাদক বিরোধী বিশেষ অভিযানে বিপুল পরিমান মাদক সহ ০১ জন আটক।আটক মাদকদ্রব্যের মধ্যে ২৫কেজি গাঁজা,১৩৫পিছ ইয়াবা,১১৪পিছ টাপেন্ডাল ট্যাবলেট,৫০ বোতল স্কাফ সিরাপ রয়েছে।১৫ বিজিবি ব্যাটালিয়ন প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে তা নিশ্চিত করেন।
লালমনিরহাট ১৫ বিজিবি ব্যাটালিয়নের আওতা ধীন সীমান্ত এলাকায় গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে মাদক বিরোধী অভিযান পরিচালনা করে বিজিবি সদস্যরা।
বুধবার(৭ জানুয়ারী) আদিতমারী উপজেলার দীঘলটারী সীমান্ত এলাকায় দীঘলটারী বিওপি ক্যাম্পের বিজিবি সদস্যরা ভারতীয় সীমান্ত অতিক্রম করে বাংলাদেশ প্রবেশ কালে সন্দেহ জনক এক ব্যাক্তিকে আটক করে,বিজিবি সদস্যরা আটক ব্যাক্তিকে তল্লাশী করে ১৩৫পিছ ইয়াবা,১১৪পিছ টাপেন্ডাল ট্যাবলেট উদ্ধার করে আটক ব্যাক্তির নাম রবিউল ইসলাম (৩২)পিতাঃ নুর ইসলাম,গ্রাম জুম্মাপাড়া,লালমনিরহাট পৌরসভা।
এছাড়া ০৭ জানুয়ারী সকালে অনন্তপুর বিওপির আওতাধীন পশ্চিম রামখানা,ফেলানীরমোড় থানা-নাগেস্বরী,জেলা-কুড়িগ্রাম নামক স্থানে অভিযান পরিচালনাকালে কতিপয় সন্দেহজনক ব্যক্তিদের গতিবিধি লক্ষ্য করে টহল দলের সদস্যরা ধাওয়া করে, চোরাকারবারীরা তাদের সাথে থাকা মালামাল ফেলে দৌড়ে সীমান্ত অতিক্রম করে ভারতের অভ্যন্তরে চলে যায়। পরবর্তীতে ফেলে রাখা মালামাল তল্লাশী করে ভারতীয় গাঁজা ২৫ কেজি এবং ইস্কাপ সিরাপ ৫০ বোতল জব্দ করা হয়।
লালমনিরহাট ১৫ বিজিবি ব্যাটালিয়ন এর অধিনায়কের পক্ষ থেকে জানানো হয়, উদ্ধার কৃত মাদকদ্রব্য ভারতীয় ইয়াবা ১৩৫ পিছ, যার সিজার মূল্য ৪০হাজার ৫০০টাকা,ভারতীয় ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট ১১৪ পিছ,যার সিজার মূল্য ১১ হাজার ৪০০টাকা,ভারতীয় গাঁজা ২৫ কেজি, যার সিজার মুল্য ৮৭ হাজার ৫০০ টাকা, ভারতীয় ইস্কাপ সিরাপ ৫০ বোতল, যার সিজার মূল্য ২০হাজার-টাকা সহ সর্বমোট সিজার মূল্য ১ লক্ষ ৫৯ হাজার ৪০০ শত টাকা।
উল্লেখিত ঘটনায় আটককৃত আসামীর বিরুদ্ধে আদিতমারী থানায় মামলা দায়েরপূর্বক মাদক দ্রব্য সহ হস্তান্তর করা হয়েছে। এছাড়াও মাদক চোরাচালান চক্রের সংশ্লিষ্ঠ অন্যান্য চোরা কারবারী দের তথ্য সংগ্রহপূর্বক আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
লালমনিরহাট ব্যাটালিয়ন (১৫ বিজিবি) এর কমান্ডিং অফিসার লেফটেন্যান্ট কর্নেল মেহেদী ইমাম(পিএসসি) বলেন, দেশের যুবসমাজকে মাদকমুক্ত রাখতে বিজিবি সর্বদা সতর্ক ও প্রস্তুত রয়েছে। মাদক পাচার রোধে সীমান্তের স্পর্শ কাতর এলাকা চিহ্নিত করে বিজিবি’র গোয়েন্দা নজরদারি ও টহল তৎপরতা আরও জোরদার করা হয়েছে।
এছাড়া তিনি স্থানীয় জনগণকে মাদকবিরোধী অভিযান পরিচালনা এবং প্রতিরোধে সহযোগিতা করার আহ্বান জানান এবং গোপন তথ্য প্রদানকারীদের পরিচয় গোপন রাখার নিশ্চয়তা দেন।