প্রেস রিলিজ: রাজশাহী মহানগরীর বেলপুকুর থানা এলাকায় গত ২৫/০১/২০২৬ তারিখ বিকেল সাড়ে চারটায় ঢাকা থেকে রাজশাহীগামী রাজকীয় পরিবহনের একটি বাস সজোরে পুঠিয়াগামী একটি অটোরিকশাকে ধাক্কা দিলে অটোরিকশায় থাকা বরেন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রিপল ই বিভাগের ছাত্র শান্ত ইসলামসহ ৩ জন নিহত হয়। দুর্ঘটনার সাথে সাথেই বাস চালক দ্রুত বাস চালিয়ে পালিয়ে যায়। পুলিশ খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছলে ঘটনাস্থলে গুজব ছড়ানো হয় যে পুলিশ বাস চালককে ছেড়ে দিয়েছে যা ছিল সম্পূর্ণ মিথ্যা, বানোয়াট এবং ভিত্তিহীন। এই মিথ্যা তথ্যের ভিত্তিতে ছাত্র জনতা উত্তেজিত হয়ে ভিকটিমের সুরতহাল রিপোর্ট তৈরি করতে না দেয়াসহ বেলপুকুর থানার ওসি এবং একজন এসআইকৈ জিম্মি করে শারীরিকভাবে হেনস্থা করে এবং এসআইকে কান ধরতে বাধ্য করে তার ভিডিও ফেসবুকে পোস্ট করে।পরে অতিরিক্ত পুলিশ এবং সেনাবাহিনী গিয়ে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করে।
এঘটনায় বেলপুকুর থানায় সড়ক পরিবহন আইনে একটি এবং সরকারি কাজে বাঁধা প্রদান ও পুলিশ সদস্যদের এসল্ট করার অপরাধে পৃথক আরেকটি মামলা দায়ের করা হয়।
ঘটনার পর থেকেই পলাতক বাস চালককে গ্রেফতারের জন্য পুলিশের একাধিক টিম তাদের সমন্বিত প্রচেষ্টার মাধ্যমে কাজ শুরু করে গতকাল ঘাতক বাস চালক সাইফুল ইসলাম (৪৮)কে কুষ্টিয়া জেলার দৌলতপুর থানা এলাকা থেকে গ্রেফতার করে। সাইফুল ইসলাম নাটোর সদরের কানাইখালী গ্রামের দক্ষিন পটুয়াপাড়ার দিয়ানতুল্লাহ প্রামাণিকের ছেলে। গ্রেফতারকৃত বাস চালককে আজ বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করা হবে।
উল্লেখ্য যে পুলিশ ঘটনার তারিখ রাতেই রাজকীয় পরিবহনের ঘাতক বাসটি আটক করে।
অপরদিকে ঘটনার পর থেকেই পুলিশের একাধিক টিম তাদের সমন্বয়ের মাধ্যমে পুলিশ এসল্ট মামলার আসামি গ্রেফতারে অভিযান পরিচালনা করে। গতকাল বিকেলে গুজব ছড়িয়ে পুলিশকে হেনস্থা করা এবং সরকারি কাজে বাধা প্রদান করার মূল হোতা হাসানুর রহমান তুহিন (২৬)কে গ্রেপ্তার করে বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়। সে মহানগরীর শাহমখদুম থানার বড় বনগ্রাম চকপাড়ার আবুল হোসেনের ছেলে।