মিজানুর রহমানঃ লালমনিরহাট শহীদ মিনারে একুশের প্রথম প্রহরে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানানোর পুস্প অর্পনে জেলা প্রশাসনের অব্যবস্থাপনা নিয়ে ক্ষোভ উগড়ে দিয়েছেন স্বয়ং ত্রান ও দুর্যোগ মন্ত্রী।জেলা প্রশাসকের অসচেতনতা নিয়ে সচেতন মহল তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেন।
মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের প্রথম প্রহরে লালমনিরহাট কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে রাষ্ট্রীয় প্রটোকল ভঙ্গের অভিযোগ উঠেছে।নবনিযুক্ত দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রী আসাদুল হাবীব দুলু পুর্ব ঘোষনা অনুযায়ী শহীদ মিনারে ফুল দিতে আসেন,জেলা প্রশাসন থেকে সরবরাহকৃত পুষ্পস্তবকে তার নাম এবং মন্ত্রনালয়ের পদবী উল্লেখ ছিল না।এ ঘটনায় তাৎক্ষনিক স্থানীয় সুশীল সমাজ ও রাজনৈতিক মহলে তীব্র ক্ষোভ ও প্রতিক্রিয়া ব্যাক্ত করে।
দুর্যোগ ব্যাবস্থাপনা ও ত্রান মন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু নিরুপায় হয়ে জেলা প্রশাসন লেখা সম্বলিত পুস্পস্থবক সম্মিলিত ভাবে অর্পন করেন।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পাওয়ার পর শুক্রবার বিকেলে প্রথমবার লালমনিরহাট-৩ (সদর) নিজ নির্বাচনী এলাকায় আসেন আসাদুল হাবিব দুলু, তার নির্ধারিত সফরসূচি অনুযায়ী,রাত ১২টা ১ মিনিটে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ করার কথা ছিল।রাষ্ট্রীয় প্রটোকল অনুযায়ী জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে মন্ত্রীর জন্য পৃথক পুষ্পস্তবকের প্রস্তুতি থাকার কথা থাকলেও সেখানে কেবল ‘জেলা প্রশাসনের পুস্পস্থবক ছিল।
বিক্ষুব্ধ নাগরিক ও রাজনৈতিক মহলের দাবি, প্রশাসনের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা হিসেবে জেলা প্রশাসকের (ডিসি) এমন আচরণ কোনো সাধারণ ভুল নয়, বরং এটি রাষ্ট্রীয় শিষ্টাচারের চরম লঙ্ঘন এবং ধৃষ্টতা। এ ঘটনায় স্থানীয় পর্যায়ে তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদের ঝড় বইছে।
সচেতন মহলের মতে, একজন দক্ষ ও যোগ্য প্রশাসনিক কর্মকর্তার কাছ থেকে রাষ্ট্রীয় প্রতিনিধিদের প্রতি এমন আচরণ কোনোভাবেই কাম্য নয়। এই গাফিলতির বিষয়টি গুরুত্বের সাথে খতিয়ে দেখে জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার জন্য সরকারের যথাযথ কর্তৃপক্ষের কাছে জোর দাবি জানানো হয়েছে।