রাজশাহী: “নওহাটা সরকারি ডিগ্রী কলেজের প্রাচীরের ধারে জায়গা দখল করে বিএনপি নেতা মোঃ এমদাদুল হোসেন জোরপূর্বকভাবে ২টি ঘর নির্মাণ করছেন” শিরোনামে যে সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে, তা সম্পূর্ণ মিথ্যা, বানোয়াট ও ভিত্তিহীন উল্লেখ করে সংবাদ সম্মলন করেছেন বিএনপি’র নেতা এমদাদুল হোসেন।
সোমবার দুপুরে নগরীর অলকার মোড়ে একটি অফিস কক্ষে এই সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
সংবাদ সম্মেলনে ভুক্তভোগী এমদাদুল উল্লেখ করেন যে, আমি স্পষ্টভাবে জানাতে চাই—উক্ত জমিটি আমার পৈতৃক সূত্রে প্রাপ্ত হকদখলীয় সম্পত্তি। জমিটি আমার পিতার নামে রেকর্ডভুক্ত ছিল। পিতার মৃত্যুর পর আমি বৈধ ওয়ারিশ হিসেবে ২০১০ সালে বাটোয়ারা দলিল (দলিল নং-৫৪৩১) মূলে পবা উপজেলা সাব-রেজিস্ট্রার অফিসের মাধ্যমে সম্পত্তিটি আইনগতভাবে গ্রহণ করি। এই সম্পত্তির অন্তর্ভুক্ত দোকানঘর আমি দীর্ঘদিন যাবৎ শান্তিপূর্ণভাবে ভোগদখলে আছি।
সম্প্রতি আমি আমার পুরাতন দোকানঘরের মানোন্নয়নের লক্ষ্যে কিছু সংস্কার কাজ শুরু করি। একই সঙ্গে সংলগ্ন আমার নিজস্ব হকদখলীয় জায়গায় গেট বিম স্থাপনের বিষয়ে কলেজ কর্তৃপক্ষের সাথে আলোচনা করি। কলেজ কর্তৃপক্ষ বিষয়টি অবগত আছেন এবং এ বিষয়ে তাদের কোনো আপত্তি নেই বলে আমাকে জানিয়েছেন।
নওহাটা সরকারি কলেজ আমার প্রাণপ্রিয় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। আমি ২০০১ সাল থেকে মেয়াদ উত্তীর্ণকাল পর্যন্ত পবা উপজেলা ছাত্রদলের সভাপতির দায়িত্ব পালন করেছি। আমার দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে এবং আমার পরিবারের কোনো সদস্যের বিরুদ্ধে জমি দখল, চাঁদাবাজি বা দুর্নীতির কোনো অভিযোগ অতীতে কখনো ছিল না। সুতরাং হঠাৎ করে এ ধরনের ভিত্তিহীন অভিযোগ অত্যন্ত উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলেই আমি মনে করি।
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে আমি ও আমার পরিবার দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত। আমার রাজনৈতিক জীবনে এই প্রথম এ ধরনের মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর সংবাদ প্রকাশ করা হলো, যা আমাকে অত্যন্ত মর্মাহত করেছে। এমনকি সংবাদে আমার নামেরও বিকৃতি ঘটানো হয়েছে, যা অত্যন্ত দুঃখজনক ও উদ্বেগজনক।
আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি, আমাকে রাজনৈতিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন করা এবং আমার দীর্ঘদিনের সুনাম ক্ষুণ্ণ করার অপচেষ্টায় একটি স্বার্থান্বেষী মহল পরিকল্পিতভাবে এ মিথ্যা সংবাদ প্রচার করেছে যা ভিত্তিহীন ও মানহানিকর সংবাদের তীব্র প্রতিবাদ ও নিন্দা জানাচ্ছি এবং অবিলম্বে তা সংশোধন ও প্রত্যাহারের জোর দাবি জানাচ্ছি।