নিজস্ব প্রতিবেদক : রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের (রাসিক) প্রশাসক হিসেবে নিজের নাম আলোচনায় আসা প্রসঙ্গে মুখ খুলেছেন রাজশাহী মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মাহফুজুর রহমান রিটন। তিনি জানিয়েছেন, সুযোগ পেলে রাজশাহীবাসীর সেবক হিসেবে কাজ করতে এবং নগরীর উন্নয়নে ভূমিকা রাখতে তিনি প্রস্তুত।
বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) রাজশাহী মহানগরের ১৯ নং ওয়ার্ডের দারুন নাজাত হাফিজিয়া কওমিয়া মাদ্রাসা প্রাঙ্গণে আয়োজিত এক ইফতার ও দোয়া মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান, বেগম খালেদা জিয়া ও আরাফাত রহমান কোকোর আত্মার মাগফেরাত কামনায় এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
রাসিক প্রশাসক হিসেবে নিজের আগ্রহের কথা জানিয়ে মাহফুজুর রহমান রিটন বলেন, “বিগত সময়ে মেয়র মিজানুর রহমান মিনু ও মোসাদ্দেক হোসেন বুলবুল যুবদল থেকেই অল্প বয়সে মেয়র নির্বাচিত হয়েছিলেন। আমিও যুবদল থেকে বিএনপিতে এসেছি। প্রশাসনিক দায়িত্ব পেলে রাজশাহীর উন্নয়ন করা অবশ্যই সম্ভব। আমি রাজশাহীর মানুষের সেবক হিসেবে কাজ করতে চাই।”
তিনি উল্লেখ করেন যে, দায়িত্ব পাওয়ার পরেই পরিকল্পিতভাবে নগরীর উন্নয়ন কার্যক্রম পরিচালনা করা সম্ভব হবে।
অনুষ্ঠানে বিশেষ বক্তা ছিলেন চন্দ্রিমা থানা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক রুমন শরিফ।
বক্তারা জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে বলেন, বেগম খালেদা জিয়া আপোসহীন নেত্রী হিসেবে বিশ্বে গণতন্ত্রের সংগ্রাম করেছেন। একইসঙ্গে ক্রীড়াঙ্গনে আরাফাত রহমান কোকোর অবদান স্মরণ করা হয়। বক্তারা মিজানুর রহমান মিনুকে মন্ত্রী করায় তারেক রহমানকে ধন্যবাদ জানান এবং বর্তমান সরকারের কৃষক ও ইমামদের ভাতার পদক্ষেপের প্রশংসা করেন। এছাড়া তারেক রহমানের ৩১ দফা বাস্তবায়নে সবাইকে সহযোগিতার আহ্বান জানানো হয়।
চন্দ্রিমা থানা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক রুমনের আয়োজনে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক রেজাউল করিম রঞ্জু, সদস্য সচিব মনিরুল ইসলাম জনি, ১৯ নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি ডাবলু, চন্দ্রিমা থানা বিএনপির সদস্য জনি আহমেদ, মতিহার থানা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আলামিন বাবু এবং শাহ মখদুম থানা বিএনপির সদস্য সচিব নাসিম খান।এছাড়াও বিএনপি ও এর অঙ্গ সংগঠনের বিপুল সংখ্যক নেতা-কর্মী উপস্থিত ছিলেন।
মোনাজাতের মাধ্যমে জিয়া পরিবারের কল্যাণ ও দেশের শান্তি কামনায় অনুষ্ঠানটি শেষ হয়।